কীভাবে কাটাবেন ভালোবাসা দিবস

ভ্যালেন্টাইন ডে উদযাপনের জন্য গোটা বিশ্বের প্রেমিক-প্রেমিকারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।  এদিন আবার পহেলা ফাল্গুনও। সব মিলিয়ে দিনটি ঘিরে অনেকেরই নানা পরিকল্পনা রয়েছে। কেউ কেউ দিনটি উপলক্ষে এরই মধ্যে একে অন্যকে নানা উপহার দিয়েছেন। তবে উপহার দেওয়াই শেষ কথা নয়। দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে চাইলে ব্যতিক্রমী কিছুও করতে পারেন । যেমন-

একসঙ্গে সূযোর্দয় দেখা : সকালে ঘুম থেকে ওঠা কষ্টকর হলেও ভালোবাসা দিবসে দুজনের একসঙ্গে সূর্যোদয দেখা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম লাগবে। এদিন দুজন দুজনের পাশে সারাজীবন থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে পারেন।

বাগানের পরিচর্যা : প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটালে মন উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। ভলোবাসা দিবসে দুজনে কিছুটা সময় প্রকৃতির মাঝে কাটাতে পারেন। খুব দূরে যেতে না পারলে একসঙ্গে নিজেদের লাগানো গাছ বা বাগানের পরিচর্যা করুন। তা না হলে বারান্দার টবে নতুন কিছু গাছ লাগান। মন ভালো লাগবে।

ফটোশুট করুন : ভ্যালেন্টাইন ডে'তে ফটোশুটের জন্য একসঙ্গে কোথাও যেতে পারেন। এতে দুজনের কিছু সুন্দর মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করে রাখতে পারবেন। মাঝে মধ্যে সেসব ছবি দেখলেও মন হযে যাবে।  

ক্যান্ডেলনাইট ডিনারের পরিকল্পনা
: ভালোবাসা দিবস উদযাপনের অন্যতম সেরা রোমান্টিক উপায় হচ্ছে ক্যান্ডেলনাইট ডিনারের পরিকল্পনা। এতে দুজন একান্তে কিছু সময় কাটাতে পারবেন।

সিনেমা দেখতে যাওয়া : যদি দুজনই সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন তাহলে ভালোবাসা দিবসে হলে গিয়ে বা বাড়িতেই কোনো সিনেমা দেখতে পারেন। সঙ্গে রাখতে পারেন হালকা নাস্তাও। 

দূরে কোথাও : সঙ্গীর সঙ্গে দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে। এর জন্য আগে যাননি এমন জায়গা অথবা আপনাদের প্রথম দেখা হয়েছে এমন স্থানে চলে যেতে পারেন।

খেলাধূলা করতে পারেন : ভালোবাসা দিবসটি ব্যতিক্রম করতে একসঙ্গে কিছু খেলাধূলাও করতে পারেন। এর মধ্যে ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, টেনিস অন্যতম। দুজন এক টিম হয়েও অন্যদের সঙ্গে এসব খেলাধূলা করতে পারেন। এটাও ভিন্নরকম ব্যাপার হবে।

একসঙ্গে রান্না : মজার খাবার খেতে কে না পছন্দ করে। সঙ্গীর জন্য ভিন্ন কিছু রান্না করলে তা নিশ্চয়ই দিনটি অন্যরকম করে দেবে। চাইলে দুজন মিলে একসঙ্গে মজার কোনো খাবার বানাতে পারেন। এতেও মন ভালো লাগবে।

Continue Reading

ফরিদপুর শহরে ‘বার্গারস্টেট’ উদ্বোধন করলেন নায়ক জন

দেশের বৃহত্তর জেলা ফরিদপুরে প্রথমবারের মত ফুডব্যান্ড ‘বার্গারস্টেট’ এর যাত্রা শুরু হলো। শহর জুড়ে ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা রকম আয়োজনে সম্প্রতি এই ইউনিক বার্গার ফুডশপটির উদ্বোধন হয়।

Continue Reading

ভালোবাসা দিবসে সঙ্গীকে কী উপহার দেবেন

সামনেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। গোটা বিশ্বের প্রেমিক-প্রেমিকারা সারাবছর ধরে এই সময়ের জন্যই অপেক্ষা করে থাকেন। একে অন্যের জন্য বিভিন্ন সারপ্রাইজ পরিকল্পনা করেন, উপহার বিনিময় করেন। সবাই চায় দিনটাকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে। তবে সঙ্গীকে কী উপকার দেবেন তাই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। ভালোবাসা দিবসে সঙ্গীকে দিতে পারেন যেসব উপহার-

অ্যালবাম: আপনাদের একসঙ্গে তোলা প্রত্যেকটা ছবি নিয়ে একটি অ্যালবাম তৈরি করুন। এক একটা ছবির নীচে সেই মূহূর্তের কথা ছোট করে লিখে দিতে পারেন বা ভালোবাসার মেসেজও লিখতে পারেন। এই উপহার পেয়ে আপনার সঙ্গী অবশ্যই খুশী হবে।

ঘড়ি : ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে আপনার সঙ্গীকে সুন্দর ঘড়ি দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সে কেমন ঘড়ি পছন্দ করে তা কোনোভাবে জানার চেষ্টা করুন এবং তার পছন্দমতো উপহার দিন। এতে আপনার সঙ্গী খুব খুশি হবে।

কফি মগ : আপনার সঙ্গী যদি চা বা কফি খেতে পছন্দ করে তবে তাকে সুন্দর কফি মগ উপহার হিসেবে দিতে পারেন। কফি মগে আপনি ভালবাসার মেসেজ লিখে দিতে পারেন বা আপনাদের কোনো সুন্দর ছবি মগের গায়ে ছাপিয়ে নিতে পারেন।

ল্যাপটপ ব্যাগ : ল্যাপটপ রাখার জন্য সুন্দর টেকসই ল্যাপটপ ব্যাগ দিতে পারেন। আজকাল এগুলো অনলাইনেই পাওয়া যায়।

ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন
: উপহার হিসেবে ব্লুটুথ ইয়ানফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন দিতে পারেন। এখন এগুলোর জনপ্রিয়তা খুব বেশি। যদি আপনার সঙ্গী গান শুনতে খুব ভালবাসে বা ইলেকট্রনিক্স জিনিস তার খুব পছন্দের হয়, তাহলে তার জন্য ভালো উপহার হল ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন। বেড়াতে, কাজের মাঝে বা যাতায়াতের পথে এই হেডফোন বা ইয়ারফোনের কোনো তুলনা নেই। আর এগুলি বহন করাও বেশ সহজ।

ফোনের ব্যাক কভার  : মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেক সময় তাড়াহুড়োতে হাত থেকে ফোন পড়ে গিয়ে ভেঙে যায়। তাই এই ঝামেলা এড়াতে সঙ্গীকে একটি টেকসই ব্যাক কভার কিনে দিতে পারেন। এখন আবার অনেকে ফোনের কভারে নিজের পছন্দমতো নানা ডিজাইন করে থাকেন, আপনিও এতে সুন্দর কোনো ডিজাইন করে দিতে পারেন।

স্টোরি বুক : আপনার সঙ্গী যদি বইপ্রেমী হয়, তবে তাকে ভালো উপন্যাস বা গল্পের বই উপহার দিতে পারেন। সে যে ধরনের বই পড়তে পছন্দ করে সেই অনুযায়ী উপহার দিন।



Continue Reading

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে যা করণীয়

থাইরয়েডের সমস্যা থাকলেও অনেকেই গুরুত্ব দেন না। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, সময় মতো চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে করতে পারে। এই রোগে শুধু ওষুধ খেলেই হয় না, যথেষ্ট পরিমাণ পুষ্টিকর খাবারও খেতে হয়। থাইরয়েড যেহেতু হরমোনের ভারসাম্যকে নষ্ট করে, এ কারণে এই সমস্যা থাকলে বেশ কিছু খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। যেমন-

১. পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্যাকেটজাত খাবার বা প্রসেস খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত। যেমন- বিস্কুট, চিপস, মাল্টি গ্রেইন ইত্যাদি প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রিজারভেটিভ, লবণ ও সোডিয়াম দেওয়া থাকে। থাইরয়েডের ক্ষেত্রে যা খাওয়া একদম উচিত নয়। সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

২. থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে মাল্টি গ্রেইনের বদলে হোল গ্রেইন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। কারণ হোল গ্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, আয়োডিন থাকে,যা থাইরয়েড রোগীদের জন্য জরুরি। থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে পাউরুটি, পাস্তা ধরনের খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।

৩. শরীরে চর্বি হলে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। তাই অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড, মাখন, তেলেভাজা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. শরীরে আয়োডিন ও প্রোটিন মিশে থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে। তাই খাদ্যাভ্যাসে দই, চিজ, বাদাম, ডিম, মাছ, মাংস, ডাল রাখুন। সয়াবিন খাওয়া বাদ দিন। কারণ এতে থাকা আইসোফ্ল্যাভিন থাইরয়েডের ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে।

এছাড়াও থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ফুলকপি, ব্রকলি, বাঁধাকপি খাওয়া বাদ দিতে হবে। এছাড়া মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার, কফি, অ্যালকোহল, কোমল পানীয় পরিহার করতে হবে। পাশাপাশি অবশ্যই প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে।

Continue Reading

করোনার টিকা নেওয়ার পরও যেসব বিষয় মেনে চলা জরুরি

করোনা মহামারির কারণে গোটা বিশ্ব থমকে গিয়েছিল। ঘর থেকে বের হওয়াও বন্ধ হয়ে গেছিল একেবারে। করোনার টিকা আসায় বিশ্ব এখন কিছুটা হলেও স্বস্তি বোধ করছে। যদিও এর পার্শ্বপ্রত্রিক্রিয়া নিয়ে এখনো ভয় কাটেনি অনেকের মধ্যে।

Continue Reading

গোলমরিচের যত উপকারিতা

অনেকেই ডিমের পোচ বা বাটার টোস্টের উপরে গোলমরিচ ছড়িয়ে খেতে পছন্দ করেন। এছাড়া, স্যুপ, স্টু ও আরও অনেক ধরনের রান্নাতেও গোলমরিচের ব্যবহার করা হয়। গোলমরিচ স্বাদে-গন্ধে যেমন অতুলনীয়, তেমনই এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী।

গোলমরিচ ভিটামিনের দারুণ উৎস। এছাড়াও এটি কপার, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়ামের মতো খনিজে সমৃদ্ধ। নিয়মিত গোলমরিচ খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. নিয়মিত গোলমরিচ খেলে তা বিপাক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এটি চর্বি কমাতে সহায়তা করে এবং ওজন কমায়।

২. গোলমরিচে উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ফ্যাট কোষগুলি ভেঙে ফেলতে সহায়তা করে, যার ফলে দেহে উপস্থিত অতিরিক্ত ফ্যাট এবং টক্সিন বের হয়।

৩. গোল মরিচে থাকা পাইপারিন পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের নিঃসরণ উদ্দীপিত করে, যা খাবারের সঠিক হজমের জন্য প্রয়োজনীয়।

৪, গোলমরিচ পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে।

৫. যেকোন ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে গোলমরিচ দারুণ ভূমিকা রাখে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি এবং সংক্রমণ নিরাময়ে সাহায্য করে।

৬. কাশি-সর্দি নিরাময়ে গোলমরিচ খুব কার্যকর। আধা চামচ মধু ও এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। এটি ফ্লু, গলা ব্যথা প্রতিরোধে কাজ করে। এছাড়া আদা, দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে চায়ের সাথে অল্প গোলমরিচ যোগ করে খেলেও উপকার পাবেন।



Continue Reading

খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া কি ঠিক

স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে আজকাল অনেকেই গ্রিন টি খান। বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান তারা দিনের খাদ্যতালিকায় গ্রিন টি রাখেন। এছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখতেও গ্রিন টির জুড়ি নেই। এই চা ত্বক-চুলও ভালো রাখতে সাহায্য করে। অনেকে স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে দিনের শুরু করেন গ্রি টি দিয়ে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়। কারণ এতে শরীরে নানা ধরনের ক্ষতি হয়। যেমন-

১. খালি পেটে গ্রি টি খেলে এতে থাকা ট্যানিন উপাদান পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে তোলে । ফলে পেট ব্যথা হয়। এছাড়া খালি পেটে এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অতিরিক্ত অ্যাসিডের ফলে বমিভাব অনুভূত হতে পারে।

২. পেপটিক আলসার বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সে আক্রান্ত রোগীদের সকালে গ্রিন টি না পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এ সময় গ্রি টি খেলে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।

৩. খালি পেটে গ্রিন টি খেলে আয়রন শোষণ-এর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই যারা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তাদের গ্রিন টি খাওয়া উচিত নয়।

৪. খালি পেটে গ্রিন টি খেলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেইন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিগুলিকে উদ্দীপিত করে, যা কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন রিলিজ করে। ফলে রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, যা হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য মোটেও ভালো নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে গ্রিন টি খাওয়া ভালো তবে তা স্ন্যাক্সের সাথে। গ্রিন টি খেলে সঙ্গে বিস্কুট, ফল বা অন্য কিছুও খাওয়া উচিত। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


Continue Reading

সকালের নাস্তা এড়ালে যেসব শারীরিক সমস্যা হয়

অনেকেই সকালে উঠে না খেয়ে দিনের অনেকটা সময় কাটিয়ে দেন। কেউ আবার অফিসে বেরোনোর তাড়া বা ঘরের কাজের চাপে দেরি করে নাস্তা করেন। কেউ আবার সকাল আর দুপুরের খাবার একবারেই খান। কেউ কেউ ভাবেন সকালের নাস্তা এড়ালে ওজন কমানো যায়। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। কারণ সকালের দিকে শরীরের বিপাকক্রিয়ার হার বেশি থাকে৷ ফলে যা খাওয়া হয় তা হজম হয়ে যায়৷ ক্যালরিও পোড়ে তাড়াতাড়ি৷ যারা সকালের নাস্তা করেন না, স্বাভাবিকভাবেই তারা দুপুরে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন৷ সকালের খাবার খেলে এই অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আবার এটি শরীরের শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে৷ এছাড়াও, নিয়মিত সকালের নাস্তা করলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদিও নিয়ন্ত্রণে থাকে৷

Continue Reading

দুশ্চিন্তা কমাতে কি করবেন

দুশ্চিন্তা এক ধরনের মানসিক রোগ। এ কারণে শুরু থেকে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। দুশ্চিন্তা বাড়লে অনেক সময় স্বাভাবিক চিন্তা ভাবনা করার পথ আটকে যায়৷ মন ছটফট করতে থাকে, অজানা ভয় চেপে ধরে৷ এর থেকে হৃদরোগ, শ্বাসকষ্ট, পেশি ব্যথা, রক্তচাপ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ দুশ্চিন্তার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে বুক ধড়ফড় করা, ঘাম, কাঁপুনি, বিরক্তি, হালকা মাথাব্যথা এবং মানসিক চাপ অনুভব করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুশ্চিন্তায় ভূগলে কখনই একা থাকা উচিত নয়৷ সব সময় কারো না কারো সঙ্গে কথা বলা বা গান শোনা উচিত৷ এমন কয়েকটি জিনিস আছে যা দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। যেমন-

ভিটামিন ডি : মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ভিটামিন ডিয়ের তুলনা নেই৷ এটি মুড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সব ধরনের উদ্বেগ এবং হতাশা কমাতে সাহায্য করে৷ সূর্যের আলো ভিটামিন ডিয়ের ভালো উৎস। এছাড়া দুধেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

ভিটামিন বি-১২ : ভিটামিন বি ১২ শরীর থেকে চাপ কমাতে সাহায্য করে৷ এটি মূলত প্রাণি থেকে পাওয়া যায়৷ এই ভিটামিন সুখী হরমোন তৈরি করে এবং মুড নিয়ন্ত্রণ করে। এটি স্নায়ুতন্ত্রের জন্যও উপকারী।

ম্যাগনেসিয়াম : মানব শরীরের জন্য ম্যাগনেসিয়াম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খনিজ৷ এটি দুশ্চিন্তার মতো মানসিক রোগ কমাতে সাহায্য করে৷ মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে৷ ডার্ক চকলেট, পালং শাক, কাজুবাদাম এবং চীনাবাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়৷

ভিটামিন সি : বিষন্নতা এবং দুশ্চিন্তার কমানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে ভিটামি নি গ্রহণ। এটি শরীরে সজীবতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

ক্যামোমাইল : ক্যামোমাইল উদ্বেগ মুক্ত রাখতে সাহায্য করে৷ ভালো ফল পেতে চায়ের সঙ্গে ক্যামোমাইল মিশিয়ে খেতে পারেন৷ এটি মানসিক চাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।

Continue Reading

প্রতিদিন কতটা হাঁটলে ওজন কমবে?

শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত হাঁটার বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটলে শরীর সতেজ থাকে। এছাড়া ওজনও কমে। কিন্তু যারা ওজন কমানোর জন্য হাঁটছেন তাদের কয়েকটি বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। যেমন-  

কতটা হাঁটলে কত ক্যালরি ওজন কমে : আধুনিক যুগে প্রযুক্তির সাহায্যে কত ক্যালরি পোড়ে তা সহজেই জানা যায়। তাতে দেখা গেছে, যখন কোনো ব্যক্তি ১০০০ স্টেপ হাঁটেন, তখন ৩০ থেকে ৪০ ক্যালরি পোড়ে। সেক্ষেত্রে যদি ১০,০০০ স্টেপ হাঁটা যায় তাহলে ৩০০ থেকে ৪০০ ক্যালোরি সহজেই ঝরানো যায়। যত দ্রুতগতিতে হাঁটা যায় প্রতি মিনিটে তত বেশি ক্যালরি পুড়বে। ধীরে ধীরে হাঁটলে প্রতি মিনিটে হয়তো ৩ ক্যালরির মতো পুড়বে। আর একটু বেশি গতিতে হাঁটলেই এর প্রায় দ্বিগুণ ক্যালরি পুড়রে। আর যদি দৌড়ানো বা জগিং করা যায় তাহলে ক্যালরি পোড়ানো দ্রুত হাঁটার চেয়েও দ্বিগুণ বাড়বে। আর হাঁটা বাদ দিয়ে পুরোপুরি দৌড়াতে শুরু করলে ক্যালরি পোড়ানোর হার আরও বাড়তে থাকবে।

হাঁটার গতি কেমন হবে
: হাঁটার সময় অনেকে বুঝতে পারেন না হাঁটার গতি কেমন হবে। তবে হাঁটার জন্য তেমন নির্দিষ্ট কোনো গতি নেই। প্রথমে ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করার পর আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে হবে। শরীরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যতটুকু পারা যায় গতি বাড়াতে হবে। অনেকে ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে শুরু করেন। এটি মোটেই ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

হাঁটার সঙ্গে ব্যায়ামও
: হাঁটার পাশাপাশি কিছুদিন পর পর নতুন কিছু ব্যায়াম শুরু করুন। প্রথমে কিছুদিন হাঁটার সঙ্গে একটু করে দৌড়ান বা একটু করে যোগব্যায়াম করতে পারেন। এগুলোতে একঘেয়ে হয়ে গেলে কিছুদিন হাঁটার পাশাপাশি ভারোত্তোলন করুন কিংবা টেনিস বা ব্যাডমিন্টন খেলুন। এতে ওজন যেমন কমবে, তেমনি হাঁটাহাঁটিতেও একঘেয়েমি আসবে না।

Continue Reading
Close Menu